শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

ডেঙ্গু শনাক্তে শুধু এনএসওয়ান নয়, আইজিজি-আইএমএম পরীক্ষারও পরামর্শ

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
২৬ আগষ্ট ২০২৩, ১২:০০

দেশে ডেঙ্গু রোগীর অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছে দ্বিতীয় বা তৃতীয়বার। সঠিক কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও ডেঙ্গুর চারটি ধরনের মধ্যে যারা একাধিক ধরনে আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের জটিলতা বেশি। এমনকি মৃত্যু হারও বেশি। সতর্কতা হিসেবে, শুধু এনএসওয়ান পরীক্ষা না করে আইজিজি, আইএমএম পরীক্ষারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশে ডেঙ্গুর চারটি ধরনের মধ্যে এবার বেশি আক্রান্ত হচ্ছে ডেন-টু ও ডেন-থ্রি তে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খান আবুল কালাম আজাদ বলছেন, ভাইরাসটির একটি ধরন প্রথমবার শরীরে আক্রমণ করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। সেই একই ধরনে পরে আবার আক্রান্ত হলেও জটিলতা কম থাকে। প্রথম ধরনে আক্রান্ত ব্যক্তি যদি আবার দ্বিতীয় বা তৃতীয় বা অন্য ধরনে আক্রান্ত হন তবে তার দেহে তৈরি অ্যান্টিবডি প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে। এর ফলে তৈরি হয় নানা জটিলতা।মুগদা মেডিকেল হাসপাতালের পরিচালক(ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নিয়াতুজ্জামান জানিয়েছেন, আক্রান্ত ব্যক্তি যদি জ্বর আসার পাঁচ দিনের মধ্যে পরীক্ষা না করেন তাহলে তার এনএসওয়ান নেগেটিভ আসে। তবে পাঁচ দিন পর আইজিজি ও আইজিএম পরীক্ষায় ধরা পড়ে আগেও তার ডেঙ্গু ছিল কি-না।

সম্প্রতি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিনের জিনোম সিকোয়েন্সিং এ দেখা যায়, দেশে ৭৫ ভাগ ডেঙ্গু আক্রান্তই ডেন-টু থেকে। আর ১৮ ভাগ ডেন-থ্রি। ৬ শতাংশ রোগীর দেহে মিলেছে ডেন-টু ও ডেন থ্রি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর