প্রকাশিত:
২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩১
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা সংসদের প্রথম অধিবেশন পরেই শুরু হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০, তবে ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী এটি ১০০-এ বৃদ্ধি করার প্রস্তাব রয়েছে।
যদি সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ১০০ হয়, তাহলে জামায়াত আনুমানিক ২৪টি আসনে প্রার্থী দিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও বিস্তৃত হবে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যোগ্য নারী নেত্রীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে। বর্তমানে ৫০টি আসনের কাঠামো বজায় থাকলে দল ১১–১২টি আসনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত করবে।
দলীয় শীর্ষ নেতাদের মতে, সংরক্ষিত আসনগুলোতে মনোনীত প্রার্থীরা শুধু সাংসদ হিসেবে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবেন না, বরং নারীর নেতৃত্ব, রাজনৈতিক কার্যক্রম ও সমাজসেবায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন। দলের জন্য এই আসনগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এদের মাধ্যমে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও দলের সামাজিক চিত্র আরও শক্তিশালী হবে।
মন্তব্য করুন: