প্রকাশিত:
১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০৩
চলমান জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আত্মবিশ্বাসী ও সরব প্রচারণার মাধ্যমে রাজনীতির ময়দানে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। প্রচলিত রাজনৈতিক বক্তব্যের বাইরে গিয়ে তিনি খোলামেলা ভাষায় কথা বলছেন। তাঁর বক্তৃতায় উঠে আসছে রাষ্ট্র সংস্কার, দুর্নীতি দমন এবং নৈতিক শাসনের প্রতিশ্রুতি। তিনি বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে নির্বাচনী বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছেন। এতে দুই দলের মধ্যে বাগ্যুদ্ধ তীব্র হয়েছে।
শফিকুর রহমানের বক্তব্যে ‘মদিনা মডেল’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা হিসেবে উঠে এসেছে। তিনি দাবি করছেন, এই আদর্শ অনুসরণ করে দেশ পরিচালনা করলে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়া সম্ভব। প্রচারণায় যুবসমাজকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে তরুণদের স্বাবলম্বী করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। নারী ও সংখ্যালঘু ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর জন্য তিনি আলাদা উদ্যোগ নিয়েছেন। বিভিন্ন সভায় নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্ট নিয়ে বিতর্ক এবং কিছু কঠোর বক্তব্য তাঁকে সমালোচনার মুখে ফেলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রান্তে থাকা জামায়াত এবার মূল ধারায় ফিরতে চাইছে। সংবাদমাধ্যমে বাড়তি উপস্থিতি এবং সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় প্রচার এই লক্ষ্যকেই নির্দেশ করে। ভোটারদের সামনে নিজেকে ‘নতুন সুযোগ’ হিসেবে তুলে ধরার এই প্রচেষ্টা কতটা সফল হবে, তার উত্তর দেবে ভোটের ফল।
মন্তব্য করুন: