শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

খামেনির সামনে দুই পথ: আপস নাকি অনিবার্য পরিবর্তনের মুখে ইরান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:১৪

ইরানের নিরাপত্তানীতির মূল ভিত্তি ‘ফরোয়ার্ড ডিফেন্স’—যেন যুদ্ধ কখনো দেশের ভেতরে না আসে। এই কৌশলের আওতায় পরমাণু কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আঞ্চলিক সশস্ত্র মিত্রদের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। তবে এই কাঠামোর যেকোনো একটিতে পরিবর্তন আনা মানেই খামেনির দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা দর্শনে বড় ধাক্কা।

সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ায় মিত্র সরকারের পতন, লেবাননে হিজবুল্লাহর ক্ষয়ক্ষতি এবং ইসরায়েলের সরাসরি হামলা ইরানের আঞ্চলিক শক্তিকে দুর্বল করেছে। এর ফলে দেশটির সেই ‘সামাজিক চুক্তি’ ভেঙে পড়ছে, যেখানে রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিনিময়ে নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়া হতো।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ক্ষমতার ভারসাম্য ইতোমধ্যেই বদলাতে শুরু করেছে। ধর্মতাত্ত্বিক নেতৃত্বের পরিবর্তে সামরিক শক্তি, বিশেষ করে রেভোল্যুশনারি গার্ডস, ধীরে ধীরে অর্থনীতি ও রাজনীতির প্রধান নিয়ন্ত্রকে পরিণত হচ্ছে। খামেনির পরবর্তী সময়ে ইরান বর্তমান কাঠামোয় থাকবে কি না, তা নিয়েই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর