শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

সেনেগালের শিরোপা পুনরুদ্ধার, হতাশা বাড়ল মরক্কোর

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৮

আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সের ফাইনালে নাটকীয়তার কমতি ছিল না। ঘটনাবহুল ম্যাচে দেখা গেল বিতর্ক। এমনকি একটা সময় ক্ষোভে মাঠ ছাড়ে সেনেগাল! তবে ফিরে এসে আর ভুল করেনি, করেছে শিরোপা পুনরুদ্ধার।

ঘটনাবহুল ফাইনালে রোববার রাতে মরক্কোকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আফকন শিরোপা জিতল সেনেগাল। ফাইনালে মরক্কোকে তাদের মাঠেই অতিরিক্ত সময়ের গোলে ১-০ ব্যবধানে হারায় সাদিও মানের দল।

এ নিয়ে দ্বিতীয়বার আফকন চ্যাম্পিয়ন হলো সেনেগাল।২০২১ সালে প্রথমবার মহাদেশীয় এই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছিল তারা। অন্যদিকে, মরক্কোর শিরোপা পুনরুদ্ধারের অপেক্ষা দীর্ঘ হলো আরো। ১৯৭৬ সালে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয় তারা।

ঠিক এক মাস আগে ফিফা আরব কাপ জিতেছিল মরক্কো। দারুণ শক্তিশালী দলটি এখানেও ছিল সম্ভাবনায় এগিয়ে; কিন্তু ঘরের মাঠের বাড়তি সুবিধা কাজে লাগিয়েও শেষ হাসি হাসতে পারল না তারা। শিরোপা পুনরুদ্ধারের স্বপ্নে পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত সেনেগাল। সতীর্থের ক্রস গোলমুখে পেয়েও গোলরক্ষক বরাবর হেড নিয়ে হতাশ করেন পাপ গেয়ি। শেষ পর্যন্ত অবশ্য তার গোলেই চ্যাম্পিয়ন হয় সফরকারীরা। মাঝে ৩৭তম মিনিটে প্রথমার্ধের সেরা সুযোগটি পায় সেনেগাল। গোলরক্ষককে একা পেয়ে যান ইলিমান; তবে তার কোনকুনি শট এগিয়ে এসে পা বাড়িয়ে আটকে দেন গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো। চার মিনিট পর দারুণ এক সুযোগ পায় মরক্কোও। কিন্তু বাঁ-দিক থেকে ইসমায়েল সাইবারির দুর্দান্ত ক্রস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেলেও বলে মাথা ছোঁয়াতেই পারেননি নায়েফ। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়।

বিরতির পর আক্রমণে ধার বাড়ে দু’দলেরই। প্রথম ১৫ মিনিটে আরো চারটি শট নেয় মরক্কো, কিন্তু এর কোনোটিই লক্ষ্যে ছিল না। সমান সমানে পাল্লা দেয় সেনেগালও, এমনকি নির্ধারিত সময়ের শেষ হলেও বল জালেও জড়ায়। ইদ্রিসা গেয়ির হেড পোস্টে লাগার পর, ফিরতি বল হেডেই জালে পাঠিয়েছিলেন ইসমাইল সার; তবে গোল মেলেনি আগেই রেফারি ফাউলের বাঁশি বাজানোয়। যদিও রেফারির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন আছে। তবে আসল নাটকীয়তা বাকি ছিল পরের সময়ের জন্য। আট মিনিট যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে কর্নার পায় মরক্কো। সেই কর্নার রুখতে গিয়ে হাদজি মালিক বক্সের মাঝে ফাউল করে বসেন ব্রাহিম দিয়াজকে।

রেফারি ভিএআর পরীক্ষা করে স্বাগতিকদের পেনাল্টি দিলে সেনেগাল দল ক্ষোভে ফেটে পড়ে। কোচের ইশারায় একটা সময় বেশিভাগ খেলোয়াড় মাঠ ছেড়েও উঠে যান। সমর্থকদের একাংশ স্টেডিয়ামে চেয়ার ও অন্য বস্তু ছুড়ে মারতে থাকেন। প্রায় আধঘণ্টা পর আবার মাঠে ফেরেন তারা। যোগ করা সময়ের ২৪তম মিনিটে এসে দিয়াজ পেনাল্টি কিক নেন। কিন্তু ততক্ষণে মনোযোগ হয়তো নড়ে গিয়েছিল দিয়াজের, তার দুর্বল পানেনকা শট সহজেই লুফে নেন গোলরক্ষক। নির্ধারিত সময়ে কোনো গোল না আসায় খেলা গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। আর অতিরিক্ত সময়ের গোলে মরক্কোর হৃদয় ভেঙে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় সেনেগাল। অতিরিক্ত সময়ের চতুর্থ মিনিটে গোল করেন পাপ গেয়ি।

মাঝমাঠ থেকে বল দখলে নিয়ে সাদিও মানে খুঁজে পান ইদ্রিসা গানা। তারই বাড়ানো বলে জাল কাঁপান ভিয়ারিয়ালের এই মিডফিল্ডার। বাকি সময়ে চেষ্টা করেও যা আর শোধ দিতে পারেনি মরক্কো।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর