শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

নারীর প্রতি ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান ডাকসুর

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
২০ নভেম্বর ২০২৫, ১৮:০২

নারীদের প্রতি চলমান ডিজিটাল নিপীড়ন, কুৎসা রটনা এবং হয়রানির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সরকার ও দেশের সব রাজনৈতিক দলের প্রতি এই ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড বন্ধে অবিলম্বে কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শেহরিন আমিন ভূঁইয়া মোনামি, শিক্ষক সামিনা লুৎফা, ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধি উম্মে উসওয়াতুন রাফিয়া, ফাতিমা তাসনিম জুমা, সাবিকুননাহার তামান্না, আফসানা আক্তার, উম্মে সালমাসহ একাধিক নারীকে টার্গেট করে পরিকল্পিত ডিজিটাল নিপীড়ন চালানো হচ্ছে। এ ছাড়া রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধি তাসনিম জারা, নুসরাত তাবাসসুম, উমামা ফাতেমা, জাহিন বিশ্বাস এষা, সীমা আক্তারের মতো নারীরাও এই আক্রমণের শিকার।

ডাকসু এটিকে ব্যক্তিগত মর্যাদাহানির পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নারীদের রাজনৈতিক অবস্থানকে কেন্দ্র করে তাদের হেয় করা, ব্যক্তিগত আক্রমণ চালানো, ভয় দেখানো এবং সামাজিকভাবে অপদস্ত করার মাধ্যমে তার অগ্রযাত্রাকে রুদ্ধ করার এই প্রচেষ্টা একটি ঘৃণ্য, নারীবিদ্বেষী ও গণতন্ত্রবিরোধী আচরণ।’

এমন প্রবণতা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে বিষাক্ত করছে এবং রাজনীতিতে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে বলেও মন্তব্য করা হয়।

ডাকসু অবিলম্বে রাজনীতিতে নারীদের নিরাপদ ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে বলেছে।

বিশেষ করে, সাইবার বুলিং, স্লাটশেমিং, এডিটেড ছবি ছড়ানোসহ যেকোনো ধরনের অনলাইন হয়রানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানানো হয়েছে। ডাকসু মনে করে, ডিজিটাল পরিসরে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং এই দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রকে কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।

পাশাপাশি, সব রাজনৈতিক দলের প্রতি নিজেদের কর্মীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট নীতিমালা ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। নারীদের প্রতি অপমানজনক বা হয়রানিমূলক আচরণে লিপ্ত কর্মীদের বিরুদ্ধে দলীয় কাঠামোর মধ্যে দ্রুত সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে আহ্বান জানায় ডাকসু।

একটি সম্মানজনক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে দলগুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর