শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

শেখ হাসিনাসহ দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি চাইলেন নাহিদ ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:১৮

ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতেই জুলাই আন্দোলনে হত্যাযজ্ঞ চালায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামালসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালে হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শেষ সাক্ষী হিসেবে এ কথা বলেন আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক নাহিদ ইসলাম। তিনি দায়ীদের বিচার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

অবশেষে গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক নাহিদ ইসলামের জবানবন্দির মধ্য দিয়ে শেষ হলো জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এ মামলায় সবশেষ সাক্ষী হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সাক্ষ্য দেন নাহিদ ইসলাম। জবানবন্দিতে আন্দোলনের সময়, সমন্বয়কদের গুম করে ডিবি অফিসে নির্যাতন, নির্বিচারে ছাত্রজনতার ওপর হেলিকপ্টার থেকে গুলি, আওয়ামী ও ছাত্রলীগের নির্যাতন, আন্দোলন দমনে গোয়েন্দা সংস্থার চাপসহ নানা তথ্য উঠে আসে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমি এবং ভিকটিম পরিবাররা ভিকটিমের পক্ষ থেকে আমি ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছি। শেখ হাসিনা, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যারা জড়িত ছিলো তাদের প্রধানদের দায়ী করেছি।

যারা হত্যাকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলো তাদের দায়ী করেছি। তাদের বিচার এবং কঠোর শাস্তি আমি আদালতের কাছে প্রত্যাশা করেছি।’

শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামালসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জুলাই গণহত্যা জড়িত উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সুষ্ঠু বিচার করে নজির সৃষ্টি করতে হবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘অন্যান্য সমন্বয়কদের গুম করা হয়েছিল, তারপর আমরা যখন গণস্বাস্থ্যে ভর্তি হই সেখানে আমাদের সঙ্গে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, ডিবি অফিসে নিয়ে যাওয়া, সেখানে নির্যাতন, আন্দোলন প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেয়া, ৪ ও ৫ আগস্টের বর্ণনা আমি দিয়েছি।

’চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ‘তিনি যা কিছু বলেছেন তা এ মামলার প্রেক্ষাপট প্রতিষ্ঠার জন্য, এ মামলার বিষয়বস্তু মেলানোর জন্য আসামিদের কোথায় কি ভূমিকা ছিলো বিষয়গুলো তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। সেগুলো এ মামলার প্রমাণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে কারণ তিনি ছিলেন আন্দোলনের ফ্রন্ট যোদ্ধা।’

নাহিদের জবানবন্দির মধ্য দিয়েই শেষ হলো মানবতা বিরোধী অপরাধের এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিন জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ। প্রতিটি সাক্ষ্য এ মামলার বিচারের জন্য অকাট্য প্রমাণ বলে জানান ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর