শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

কালের কণ্ঠের সাংবাদিক কে এম সবুজের ওপর হামলা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৭:০৯

কালের কণ্ঠের ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি ও নলছিটি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কে এম সবুজের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত সবুজকে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, ‘নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী দেখেন ওষুধ কম্পানির প্রতিনিধি মোহাম্মদ মহসিন’, এই শিরোনামে গত ১৯ জুন স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ ঘটনার পর থেকেই মহসিন সাংবাদিক সবুজের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন। মহসিন ও তার সহযোগী রাশেদ খান মিঠুর নেতৃত্বে নলছিটি চায়না মাঠের উত্তর পাশে সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেন।

এর পরও তারা কাজ চালিয়ে যান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য নলছিটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি এনায়েত করিম ও সাধারণ সম্পাদক সবুজকে তার কার্যালয়ে দেখা করতে বলেন। দুপুর ২টার দিকে দুই সাংবাদিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই বসা ছিলেন মোহাম্মদ মহসিন ও রাশেদ খান মিঠু।

নলছিটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সামনে বসেই মহসিন ও মিঠুকে নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বলেন ইউএনও। এতে তারা ক্ষিপ্ত হন। এ সময় সাংবাদিক সবুজ ইউএনওর কথার সঙ্গে একমত পোষণ করলে রাশেদ খান মিঠু ও মহসিনের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে ইউএনওর সঙ্গে বৈঠক শেষে নিচে নামলে মহসিন ও মিঠুর নেতৃত্বে পাঁচ-ছয়জন মিলে হামলা করে সাংবাদিক সবুজের ওপর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

পরে সাংবাদিক সবুজকে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

আহত সাংবাদিক কে এম সবুজ বলেন, ‘গত ১৮ জুন নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী মিজানুর রহমান মোহাম্মদ মহসিনের নামে থানায় একটি অভিযোগ দেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে আমি একটি নিউজ করি।

এ নিউজ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে মহসিন বিভিন্ন সময় আমাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিলেন। মহসিন ও মিঠুর নেতৃত্বে অবৈধ একটি স্থাপনা নির্মাণে ইউএনও বাধা দেন। আমাকে এবং প্রেস ক্লাবের সভাপতিকে ইউএনও ডাকলে, সেখানে যাই। নিচে নামলেই মহসিন ও মিঠুর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমার ওপর হামলা করে।’

নলছিটি থানার ওসি আব্দুস ছালাম বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীদের কাউকে পায়নি। এ ব্যাপারে অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর