শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

নেপালে জেন জিদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, নিহত ৬

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:৫৭

নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুর নিউ বানেশ্বরে সোমবার বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সহিংস সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬-এ দাঁড়িয়েছে।

হাজার হাজার তরুণ রাস্তায় নেমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর সরকারের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও দেশজুড়ে বিস্তৃত দুর্নীতির সংস্কৃতির অবসানের দাবিতে বিক্ষোভ করে। এতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে এ নিহতের ঘটনা ঘটে।

দিনের শুরুতে সিভিল হাসপাতালে এক বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছিল। পরে সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো দুজন মারা যান বলে হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক মোহন চন্দ্র রেগমি জানান।

ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারের এক চিকিৎসক বলেন, বিক্ষোভে আহত চারজন সেখানে মারা গেছেন। আরো অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত বিক্ষোভকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, যাদের মাথা ও বুকে গুলি লেগেছে।

প্রচুরসংখ্যক আহতকে সিভিল হাসপাতাল, এভারেস্ট হাসপাতাল ও ট্রমা সেন্টারসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।

সংসদ ভবনের সামনে বিক্ষোভকারীরা রেস্ট্রিকটেড এলাকা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পুলিশ জলকামান, টিয়ার গ্যাস এবং গুলি ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে বহু মানুষ আহত হন।

জেনারেশন-জেড তরুণদের নেতৃত্বে এই আন্দোলনে মূল দাবি ছিল দুর্নীতির অবসান এবং সরকারের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। সহিংস ঘটনার পর কাঠমাণ্ডু জেলা প্রশাসন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কারফিউ জারি করে।

এদিকে আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে, বড় শহরগুলোতেও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর