শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

ডিসি মাসুদ

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চাকরিচ্যুতরা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:৪১

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাকরিচ্যুত সদস্যরা অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। কোনো না কোনো অনৈতিক কাজে যুক্ত থাকায় তারা চাকরি হারিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মিন্টু রোডে ডিবি পরিচয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য গ্রেপ্তার সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতারক চক্রের কৌশল প্রসঙ্গে ডিসি মাসুদ আলম বলেন, তাদের প্রচুর পেইড সোর্স রয়েছে। এসব সোর্স ভুক্তভোগীদের টার্গেট করতে সহায়তা করে। কোনো ডাকাতি বা অপারেশন সফল হলে অপরাধীরা যেখানে এক লাখ টাকা ভাগ পায়, সেখানে সোর্সরা পায় দেড় লাখ টাকা। তারা ব্যাংকে সাধারণ গ্রাহক সেজে উপস্থিত থাকে এবং একা বা বয়স্ক ব্যক্তিদের কিংবা বড় অংকের টাকা উত্তোলনকারীদের টার্গেট করে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে অপরাধচক্রের যোগসাজশ আছে কি না জানতে চাইলে ডিসি মাসুদ আলম জানান, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, গ্রেপ্তার অপরাধী দীন ইসলাম ওরফে কাউসার আহমেদ নিজেকে পুলিশ ইন্সপেক্টর পরিচয় দেওয়ার জন্য ভুয়া আইডি কার্ড তৈরি করেছিলেন, যা আসল থেকে আলাদা করা কঠিন। তার নামে অন্তত ১০টি ডাকাতি মামলা রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভুয়া সদস্যদের চেনার উপায় প্রসঙ্গে ডিসি মাসুদ বলেন, জনবহুল এলাকা থেকে যদি কেউ বাহিনীর পরিচয়ে কাউকে তুলে নিতে আসে, তখন আশপাশের মানুষকে জিজ্ঞেস করতে হবে কোন বিভাগ বা কোন বাহিনীর সদস্য তারা।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর