প্রকাশিত:
২৫ আগষ্ট ২০২৫, ১৬:৩৪
ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রার্থী হতে চেয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন কেরালা রাজ্যের এক বাসিন্দা। কিন্তু মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় সন্দেহ হয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। মনোনয়নপত্রে বাকি সব ঠিক থাকলেও সন্দেহ জাগে তার সমর্থনে ২২ জন সংসদ সদস্যর নাম ও স্বাক্ষর দেখে। বিশ্লেষণ করে জানা যায়, তাদের নাম ব্যবহার ও স্বাক্ষর জাল করেছেন ওই প্রার্থী।
সঙ্গে সঙ্গে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
কেরালার বাসিন্দা জোমন জোসেফ উপরাষ্ট্রপতি পদে লড়তে চেয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এ পদে মনোনয়ন জমা দিতে হলে প্রার্থীর সমর্থনে লোকসভা ও রাজ্যসভার কয়েক জন সংসদ সদস্যর স্বাক্ষর প্রয়োজন।
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জোসেফ সংসদের দুই কক্ষের ২২ জন সদস্যর নামে জাল স্বাক্ষর করে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। তিনি যাদের নাম উল্লেখ করেছেন, তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান। তার পরই জোসেফের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
গত ২১ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় জোসেফের কেলেঙ্কারির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
জানা যায়, উপরাষ্ট্রপতি পদে লড়াইয়ের জন্য ৪৬ জন প্রার্থী মোট ৬৮টি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। প্রাথমিক পর্যায়েই ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। ২২ আগস্ট বাকি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করে দেখা হয়। শেষ পর্যন্ত এনডিএ প্রার্থী সিপি রাধাকৃষ্ণণ ও বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার প্রার্থী বি সুদর্শন রেড্ডির মনোনয়নপত্রই বৈধ হিসেবে গৃহীত হয়।
পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার অনেক আগেই স্বাস্থ্যসংক্রান্ত কারণে গত ২১ জুলাই রাতে আচমকা ভারতের উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন ধনখড়।
কেন তিনি হঠাৎ পদত্যাগ করলেন, তার শারীরিক সমস্যা কতটা গুরুতর, তা নিয়ে বিস্তর প্রশ্নও উঠেছিল। এরই মধ্যে পরের দিনই তার পদত্যাগপত্র গৃহীতও হয়ে যায়। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর এই পদে নির্বাচন হবে। জগদীপ ধনখড়ের উত্তরসূরির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ওই দিনই জানানো হবে।
মন্তব্য করুন: