শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

আযম খান

সরকার কঠোর না হলে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হবে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৬ আগষ্ট ২০২৫, ১৭:০৬

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকটে আহমেদ আযম খান বলেছেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় আইন-শৃঙ্খলা কিছু কিছু অবনতি ঘটছে। সরকারকে কঠোর হতে হবে। সরকার যদি এই বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলোকে কঠিনভাবে মোকাবেলা না করে। তাহলে এই ঘটনাগুলো আরো ঘটতে থাকবে।

নির্বাচনের পরিবেশ সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যাবে। এটা যে পরিকল্পিত, তা সরকারকে বুঝতে হবে। সরকারের জন্য একটা ভালো নির্বাচন করা চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়বে। আমরা চাই না, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী এই সরকার ব্যর্থ হোক।

’শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা মহিলা দলের কর্মিসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সরকার বিএনপিসহ জনদাবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আগামী ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। ড. ইউনূস দেশে ও দেশের বাইরে এই ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু কতিপয় রাজনৈতিক দল এই ঘোষণাকে গ্রহণ করতে পারছে না।

তারা পরিবেশ গোলা করবার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। আমি মনে করি, সরকারের কঠোর হওয়া উচিত।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। আমাদের উপদেষ্টাদের নিয়ে নানা ধরনের কথা হচ্ছে। তাদের সম্পর্কে নানা রকমের ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে।

এটা নিয়ে আমরাই যে চিন্তিত, তা নয়। গণতন্ত্রমনা প্রত্যেকটা নাগরিক চিন্তিত। কারণ যত তাড়াতাড়ি গণতন্ত্রের পথে ফেরত যাওয়া যায়, তত দেশের জন্য মঙ্গল। আমাদের জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এসব প্রতিকূলতা থেকে নির্বাচনের পথে দৃষ্টি দিতে হবে। তা না হলে দেশের জন্য অত্যন্ত অমঙ্গলজনক।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক নূরনবী আবু হায়াত খান নবু, পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তারুজ্জামান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ পিন্টু, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি রাশেদা সুলতানা রুবি, সাধারণ সম্পাদক মর্জিনা বেগম, বাসাইল পৌর মহিলা দলের সভাপতি রোকসানা খান ও সাধারণ সম্পাদক নাজমা রহমান প্রমুখ।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর