শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

পরকীয়া প্রেমিককে ডেকে এনে চার খণ্ড, মিলাদ পড়ান দম্পতি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১১ আগষ্ট ২০২৫, ১৭:৩৮

কুমিল্লার তিতাসে পরকীয়া প্রেমিক ভেকুচালক মো. নজরুল ভূঁইয়াকে (৩৫) মোবাইল ফোনে ডেকে এনে নিজ ঘরে হত্যা করেন হোসেন-স্মৃতি দম্পতি। পরে লাশটি ৪ খণ্ড করে বাজারের ব্যাগে ভরে খালে ফেলে দেন। পুলিশ খাল থেকে খণ্ডিত দুই হাত উদ্ধার করে। বাকি অংশ এখনো পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে হত্যার ৩ দিন পর ঘর ধোয়ামোছা করে শনিবার (৯ আগস্ট) রাতে খিচুড়ি পাকিয়ে মিলাদ পড়ান হোসেন-স্মৃতি দম্পতি। ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মজিদপুর গ্রামের দম্পতির নিজ বাড়িতে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা হানিফ ভূঁইয়া বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ অভিযুক্ত দম্পতি হোসেন ও তার স্ত্রী স্মৃতিকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত বুধবার (৬ আগস্ট) রাতে উপজেলার সাহাবৃদ্ধি গ্রামের নজরুল ভূঁইয়াকে (৩৫) মোবাইল ফোনে ডেকে এনে কুড়াল দিয়ে হত্যা করেন। পরে লাশ চার টুকরা করে খালে ফেলে দেন অভিযুক্ত মজিদপুর গ্রামের মজু মিয়ার ছেলে সিএনজিচালক মোহাম্মদ হোসেন (৩২) ও তার স্ত্রী স্মৃতি (২৭)। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে ১০ আগস্ট ভোরে আটক হওয়ার পর তারা হত্যার কথা স্বীকার করেন। ওই দিন দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত পুলিশ খাল থেকে খণ্ডিত দুই হাত উদ্ধার করে, বাকি অংশ এখনো নিখোঁজ।

হত্যার তিন দিন পর শনিবার ঘর ধুয়ে খিচুড়ি রান্না করে মিলাদ পড়ান খুনি দম্পতি। তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদ উল্যাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, নিখোঁজ ডায়েরির সূত্র ধরে তদন্ত করে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, হোসেনের স্ত্রী স্মৃতির সঙ্গে নজরুলের পরকীয়ার কারণে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে কৌশলে বাসায় ডেকে নিয়ে কুড়াল দিয়া মাথায় কোপ দিয়ে হত্যা করেন। ভিকটিমের লাশ গুম করার জন্য ধারালো ছুরি ও কুড়াল দিয়ে মাথা, ২ হাত, ২ পা কেটে ৪টি বস্তায় ইট ও পানির বোতলসহ ভরে বাড়ির পাশে খালে ফেলে দেন।

ওসি আরো বলেন, আসামিরা পূর্বে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর জন্য অন্য একজনের নামে রেজিস্ট্রেশন করা সিম ব্যবহার করে ভিকটিমকে বাসায় ডাকে এবং পরবর্তীতে ওই নম্বরসহ মোবাইলটি ফেলে দেন।

তাদের স্বীকারোক্তি মতে মজিদপুর-সাহাবৃদ্ধি খাল থেকে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় জেলেদের মাধ্যমে খোঁজাখুঁজি করে ১টি বাজারের ব্যাগের ভেতর দুটি ইট ও পানির বোতলসহ ভিকটিমের ২টি কাটা হাত এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কুড়াল ও ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার ভিকটিমের বাবা হানিফ ভুইয়া বাদী হয়ে তিতাস থানায় মামলা করেছেন। আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর