শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

সুদের টাকা দিতে না পারায় প্রাণ গেল যুবকের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৭ আগষ্ট ২০২৫, ১৭:০৩

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নের শৈলজুরা গ্রামের আবু তাহের মিয়ার বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলিপ কান্ত নাথ জানান, বুধবার (৬ আগস্ট) সকালে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পটিয়া গ্রামের মোহাম্মদ সজল মিয়া অনেকদিন আগে পার্শ্ববর্তী শৈলজুরা গ্রামের আবু তাহের মিয়ার ছেলে জুবেল মিয়ার কাছ থেকে সুদে টাকা নেন।

কিন্তু সময়মতো সুদের লাভ দিতে পারেননি তিনি। নিহতের পরিবার অভিযোগ, চার-পাঁচ দিন আগে সজল মিয়াকে জুবেল মিয়া ও তার গ্রামের আরো কয়েকজন ধরে নিয়ে যায়। এরপর তাকে আবু তাহের মিয়ার বাড়িতে একটি রুমে আটকে রাখা হয়।

বুধবার (৬ আগস্ট) সকালে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ সেই বাড়ি থেকে সজল মিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

এটি আত্মহত্যা নয় বরং পূর্বপরিকল্পিত ও পৈশাচিক একটি হত্যা। সুদের টাকার জন্য তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি দিলিপ কান্ত নাথ বলেন, ‘নিহত সজল মিয়া ভবঘুরে টাইপের ছিলেন। তার মা-বাবা বেঁচে নেই।

আছে দুই বোন। স্ত্রীর সঙ্গেও বনিবনা নেই। যে বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে, সেই বাড়িতে নাকি সজল মিয়া ৪-৫ দিন ধরে অবস্থান করে দিনমজুরের কাজ করেছেন। খবর পেয়ে বুধবার সকালে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এটি আত্মহত্যা না হত্যা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর