শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

মানসিক চাপ ও বিক্ষিপ্ততা কমাতে ৮টি অভ্যাস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ আগষ্ট ২০২৫, ১৬:৪৮

আজকের ব্যস্ত ও গতিশীল জীবনে আমাদের মস্তিষ্ক প্রতিনিয়ত চাপের মধ্যে থাকে—টুডু লিস্ট, নোটিফিকেশন, দুশ্চিন্তা আর চারপাশের শব্দে ভরে যায় মাথা।

এই সময়ে আমরা এমন এক সংস্কৃতিতে বাস করি, যেখানে অতিরিক্ত ব্যস্ততা আর সার্বক্ষণিক অনলাইনে থাকা যেন ‘সফলতার’ মানদণ্ড হয়ে উঠেছে। ফলে আমরা প্রায়শই মানসিকভাবে ক্লান্ত, বিক্ষিপ্ত ও অপ্রস্তুত থাকি—যা সত্যিকার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর মনোযোগ দেওয়া কঠিন করে তোলে।

এই পরিস্থিতিতে মিনিমালিজম (সাধাসিধে ও সংযত জীবনযাপন) হতে পারে এক কার্যকর সমাধান।
শুধু বাড়িঘর পরিষ্কার করাই নয়, মন ও জীবনকেও গোছাতে মিনিমালিজম আপনাকে সহায়তা করতে পারে। নিচে এমন কিছু সহজ অভ্যাস তুলে ধরা হলো, যা আপনি আজ থেকেই প্রয়োগ করতে পারেন মনের জঞ্জাল কমাতে—

১. শারীরিক পরিবেশ গুছিয়ে নিন

আপনার আশপাশের অব্যবস্থা, যেমন টেবিল ভরা কাগজপত্র বা এলোমেলো ঘর, মনের ওপর প্রভাব ফেলে। চোখের সামনে যত কম বিশৃঙ্খলা, মন ততটাই প্রশান্ত থাকে।
ছোট করে শুরু করুন—টেবিল পরিষ্কার, রান্নাঘরের কাউন্টার গোছানো কিংবা বাসার এমন কোনো দৃশ্যমান এলাকা পরিপাটি করে তুলুন।

২. ডিজিটাল বিভ্রান্তি সীমিত করুন

ফোনে নোটিফিকেশন, মেসেজ, অ্যাপ–এসব নিরবচ্ছিন্নভাবে মনোযোগ চুরি করে নেয়।
সমাধান: অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করুন

ইমেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখার সময় নির্ধারণ করুন
রাতের ঘুমের আগে অন্তত ১ ঘণ্টা ফোন দূরে রাখুন
এতে করে শুধু মন শান্ত হবে না, ঘুমও ভালো হবে।

৩. একসঙ্গে অনেক কিছু না করে একটায় মন দিন (Monotasking)

একাধিক কাজ একসঙ্গে করার চেষ্টা আমাদের ক্লান্ত ও অকার্যকর করে তোলে।
বরং একসঙ্গে একটি কাজ করুন, পুরো মনোযোগ দিয়ে। বাসন ধোয়া হোক বা বই পড়া—সেই কাজেই থাকুন সম্পূর্ণভাবে।

৪. সময়ের ফাঁকে ‘ফাঁকা জায়গা’ রাখুন

দিনের প্রতিটি ঘণ্টা পরিকল্পনায় ভরে রাখবেন না। কিছুটা সময় ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁকা রাখুন—চিন্তা করতে, বিশ্রাম নিতে বা সৃজনশীল হওয়ার সুযোগ পেতে।

এমন বিশ্রামের সময়েই অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বচ্ছতা ও প্রেরণা পাওয়া যায়।

৫. দিন শুরু করুন সচেতনতা দিয়ে

সকালের রুটিন যদি শান্তিপূর্ণ হয়, সারাদিনই নিয়ন্ত্রিত থাকে।
সকালে কয়েক মিনিট মেডিটেশন, হালকা স্ট্রেচিং, নীরব চা বা কফি, অথবা জার্নাল লেখার অভ্যাস আপনাকে মনের দিক থেকে প্রস্তুত করতে সাহায্য করবে।

৬. প্রতিদিন কৃতজ্ঞতা চর্চা করুন

প্রতিদিন ৩টি বিষয় লিখুন বা ভাবুন, যার জন্য আপনি কৃতজ্ঞ।
এতে মন ইতিবাচক হয়ে উঠবে এবং নেতিবাচক ভাবনা কমে যাবে। এই অভ্যাস চাইলে সকালে দাঁত ব্রাশ করার সময়, কর্মস্থলে যাওয়ার পথে বা রাতে ঘুমানোর আগে করলেও হবে।

৭. চিন্তার জঞ্জাল ছাড়ুন

অনেক সময়ই আমাদের মাথা ভর্তি থাকে দুশ্চিন্তা, অনুশোচনা কিংবা ভবিষ্যতের ভয় নিয়ে।
এই জিনিসগুলো থেকে মুক্তি পেতে লিখুন, গভীরভাবে শ্বাস নিন বা ধ্যান করুন।
নিজেকে প্রশ্ন করুন: “এই ভাবনাটা কি আমার কাজে আসছে?”
যদি না আসে, তাকে মনের পাশেই সরিয়ে রাখুন।

৮. সবচেয়ে জরুরি কাজে মনোযোগ দিন

অন্তহীন টুডু লিস্টে ডুবে না গিয়ে প্রতিদিন ২–৩টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ বেছে নিন।
১-৩-৫ নিয়ম অনুসরণ করতে পারেন—১টা বড়, ৩টা মাঝারি, ৫টা ছোট কাজ করুন দিনে।

এইভাবে লক্ষ্য স্থির রেখে কাজ করলে মানসিক চাপ কমবে ও দক্ষতা বাড়বে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর