শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

অতিরিক্ত রিলস দেখা যেভাবে মস্তিষ্কের ক্ষতি করছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২১ জুলাই ২০২৫, ১৭:৫১

আপনার মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে ক্ষয় হচ্ছে—তাও আপনি বুঝতেই পারছেন না। আশ্চর্যের বিষয়, এর পেছনে কোনো ভাইরাস বা বাহ্যিক সংক্রমণ নয়, দায়ী আপনারই একটা অভ্যাস, অতিরিক্ত রিলস বা শর্ট ভিডিও দেখা।

রিলস দেখা কেন ক্ষতিকর?

প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে রিল বা শর্টস দেখার ফলে মস্তিষ্কে অতিরিক্ত ডোপামিন ক্ষরণ হয়। এই রাসায়নিক এক ধরনের স্বল্পমেয়াদি আনন্দ তৈরি করে, যা এক সময় মস্তিষ্ককে তার স্বাভাবিক ছন্দ থেকে সরিয়ে দেয়।

এর ফলে মনোযোগ কমে, কাজের প্রতি আগ্রহ কমে এবং ধীরে ধীরে মানসিক অবসাদ তৈরি হয়। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই বলেন, মনে হচ্ছে কিছুতেই মন বসছে না। কিছু ভালো লাগছে না, ক্লান্ত লাগছে। এইসব আসলে অলসতার ফল নয়, বরং নিউরোলজিক্যাল ওভার-স্টিমুলেশন বা অতিরিক্ত উদ্দীপনার লক্ষণ।

গভীর কিছুতে মন বসছে না কেন?

রিলস বা শর্টস যেহেতু মাত্র ১৫-৩০ সেকেন্ডের হয়, মস্তিষ্ক তাতে তাৎক্ষণিক আনন্দ পায় এবং এমন কনটেন্টে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে—বই পড়া কষ্টকর লাগে, আলোচনায় মন বসে না, ধৈর্য ধরে কোনো কাজ করা অসহ্য মনে হয়, প্রকৃত জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জনের ইচ্ছা কমে যায়

কী বলছে গবেষণা?

গবেষণা অনুযায়ী, যারা অতিরিক্ত শর্ট ভিডিও দেখেন, তাদের মধ্যে: স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা কমে, উদ্বেগ ও অবসাদ বেড়ে যায়, ভেতরে ভেতরে তারা ‘কৃত্রিম উত্তেজনার’ আসক্তিতে ভোগেন, তারা অলস নয়, বরং মন সব সময় নতুন কিছু খোঁজে। যা আসলে আসক্তির একটি রূপ।

এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসবেন কীভাবে?
গবেষকদের পরামর্শমতে, দিনে কিছু সময় একদম কিছু না করে চুপ করে বসে থাকুন।

হেডফোন ছাড়া হাঁটুন। মোবাইল ছাড়াই প্রকৃতির মাঝে সময় কাটান। প্রতিদিন অন্তত কয়েক পৃষ্ঠা বই পড়ার অভ্যাস করুন। শ্বাস-প্রশ্বাসের ওপর মন দিন, ধ্যান করুন। প্রথমদিকে এ অভ্যাসগুলো একঘেয়ে ও অস্বস্তিকর লাগতে পারে।

ঠিক যেমন ধূমপান বা মদ্যপান ছাড়ার পর শরীর খারাপ লাগে। এটিই হলো ডিজিটাল আসক্তির উইথড্রয়াল। কিন্তু এই পর্যায় পেরিয়ে গেলে ফিরে পাবেন মানসিক শান্তি, শৃঙ্খলা ও ফোকাস। রিলস বা শর্ট ভিডিও সময় কাটানোর একধরনের উপায় হলেও, অতিরিক্ত আসক্তি আপনার মস্তিষ্ককে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দিতে পারে। সচেতন থাকুন, নিয়ম তৈরি করুন এবং নিজের মন ও মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দিন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর