প্রকাশিত:
১৬ জুলাই ২০২৫, ১৭:২৮
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, বিভেদ সৃষ্টিকারীদের বলব দেশকে ভালোবাসতে শিখুন।
তিনি বলেন, ‘যদি কেউ সত্যিকারভাবে দেশকে ভালোবাসে, যদি মনে করে—তারা বাংলাদেশের আদর্শে বিশ্বাসী, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের আদর্শে বিশ্বাসী, তাহলে দেশে বিদ্বেষের রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করত না। যারা বাংলাদেশে বিভেদ-বিদ্বেষ সৃষ্টি করছে, তাদের প্রতি আবেদন... বাংলাদেশকে ভালোবাসতে শিখুন। দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবাসলে বাংলাদেশে আর কোনো কোন্দল হবে না।
’বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ড. আবদুল মঈন খান। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে সম্প্রতি ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে ওই সভার আয়োজন করা হয়।
মঈন খান বলেন, ‘বিএনপি ১৫ বছর ধরে যে সংগ্রাম করেছে, তার চূড়ান্ত হলো ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন; যেটি ছিল প্রথম ধাপের স্বৈরাচার মুক্তি। ছাত্ররা যে স্ফুলিঙ্গ গড়ে তুলে সংগ্রাম করে স্বৈরাচারকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে, সে জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই।
এই স্বৈরাচার পালিয়ে যেতে বাধ্য করার গৌরব কারোর একার নয়, ১৮ কোটি মানুষের।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি বিশ্বাস করে না। যারা বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়, তাদের বলব, বাংলাদেশের আদর্শ, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক সাম্যের প্রতি বিশ্বাস রাখুন। রাজনৈতিক দলের ভিন্নমত থাকতে পারে।
কিন্তু যারা দেশের আদর্শ ও চূড়ান্ত গণতন্ত্র বিশ্বাস করে, তাদের মধ্যে বিদ্বেষ ও বিভেদ সৃষ্টি হবে না।’
বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, ‘অনেকে কটু কথা বলে একজনের মত আরেকজনের ওপর চাপিয়ে দেয়। এই পথ যারা অবলম্বন করেছেন, তারা এসব অন্যায্য ও অন্যায় থেকে বের হয়ে আসুন। আমরা সুষ্ঠু রাজনীতি ও নিয়মতান্ত্রিকতায় বিশ্বাসী। নিয়মতান্ত্রিকতার বাইরে আমরা কোনো দিন যাব না।
বাংলাদেশের ইমেজকে ধ্বংস যারা করছে, তাদের বিশ্লেষণ করে চিহ্নিত করতে হবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা ফিরিয়ে আনি।’
‘২০২৪ সালের বিজয়কে শুধু এক জায়গায় কুক্ষিগত করে রাখলে হবে না। এটি ১৮ কোটি মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিতে হবে। গত এক বছরে আমরা কী পরিবর্তন দেখেছি বা অর্জন করেছি, তা বিশ্লেষণ করা দরকার।’
সভায় আরো বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফত, সহসভাপতি মোস্তফা শাহাবুদ্দিন রেজা প্রমুখ।
মন্তব্য করুন: