শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

পাবনায় গৃহবধূ সাদিয়া হত্যার বিচার দাবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১২ জুলাই ২০২৫, ১৭:১৮

পাবনায় গৃহবধূ সাদিয়া হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেছে এলাকাবাসী। শনিবার (১২ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার দাপুনিয়া এলাকায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আনারুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম, সাইদুল রহমান, নিহত সাদিয়ার বাবা সোহেল মোল্লা, মা ডলি বেগম, জোসনা খাতুন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সাদিয়াকে হত্যার পর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযুক্ত সাব্বির প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। অবিলম্বে অভিযুক্ত সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি জানান তাঁরা।

সদর উপজেলার টিকোরি গ্রামের প্রবাসী সোহেল মোল্লার মেয়ে সাদিয়া খাতুন এর চার বছর আগে বিয়ে হয় পাশের কাজীপাড়া গ্রামের সালাম প্রামানিকের ছেলে সাব্বির হোসেনের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকে যৌতুক দাবি করে সাদিয়াকে নির্যাতন করতেন সাব্বির।

একপর্যায়ে যৌতুক দিতে না পারায় গত ২৬ জুন রাতে তাকে মারধর করেন সাব্বির। এতে সাদিয়ার মৃত্যু হয়। পরে সাব্বির একটি নাটক সাজিয়ে সাদিয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যান এবং তাকে সেখানে ফেলে পালিয়ে যান। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন সাব্বির ও তার পরিবারের লোকজন।

এ ঘটনায় নিহত সাদিয়ার মা ডলি খাতুন বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগ এনে মামলা করেন। মামলায় সাদিয়ার স্বামী সাব্বির, তার বাবা-মা ও দুই ভাই মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়।

এ ব্যাপারে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, পুলিশ আসামি ধরছে না এই অভিযোগ সত্য নয়। কারণ আসামি গ্রেপ্তারের জন্য ইতোমধ্যে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন আসামিকে গ্রেপ্তারের।




মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর