শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ব্যঙ্গ শুনলেও আজ আমরা কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি

ডেক্স রিপোর্ট

প্রকাশিত:
২৯ জুলাই ২০২৩, ২০:২৪

প্রধানমন্ত্রী‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট-২০২৩’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্যে রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো একটা কিছু হলেই সেটা ডিজিটাল বাংলাদেশ বলে আমাদেরকে ব্যঙ্গ করা হতো। যে ব্যঙ্গ শুনলেও আজ আমরা কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি।

অবশ্য রাজনীতি করতে গেলে, সরকার চালাতে গেলে প্রতিনিয়ত তো সমালোচনা শুনতেই হয়, এটা স্বাভাবিক। শনিবার (২৯ জুলাই) ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৩’- এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা প্রধানমন্ত্রী। হোটেল ইন্টারকন্টিনেল্টালে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দ্বিতীয়বার আমরা যখন ক্ষমতায় আছি, ঘোষণা দিয়েছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশ। অনেক ব্যঙ্গ শুনতে হয়েছে সেই সময়, অনেক কথা শুনতে হয়েছে। এটা আবার কে ব্যবহার করবে, ডিজিটাল আবার কি, এটা কি! বিদ্যুতের অভাব ছিল, উৎপাদন ছিল মাত্র ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ চলে গেলে বলতো এই তো ডিজিটাল বাংলাদেশ। 

তিনি বলেন, যদি লক্ষ্য স্থির থাকে, আত্ বিশ্বাস থাকে যে এটা করতে হবে তাহলে কোনো বাধাই বাধা না, কোনো ব্যঙ্গই ব্যঙ্গ না। সাফল্য এনে দেওয়া যায় এটা আমরা প্রমাণ করেছি। আজ গ্রামে বসেও ফ্রিল্যান্সাররা ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করে আসছে। ১৫ লাখেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। ২ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থীকে একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট কোর্স প্রদান করা হয়েছে। ২০২২ পর্যন্ত ৯২ লক্ষ সেবা ও প্রশিক্ষণ পেয়েছে যার ৫৫ ভাগের বেশি হচ্ছে নারী। এখানে আবার ৫৫ ভাগ, ছেলেরা কমে গেলো কেন, এটা তো ভালো করে দেখা উচিত। আজ সারা দেশে স্টার্টআপ একটি মর্যাদাপূর্ণ নাম। ডিজিটাল অর্থনীতির সুফল যা আমাদের ছেলে মেয়ে উভয়ই পাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জোনাইদ আমমেদ পলক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শফিউল আরেফীন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর