প্রকাশিত:
৬ জুলাই ২০২৫, ১৭:১৫
ঝিনাইদহে একটি বাসা থেকে সুদীপ জোয়ার্দ্দার (৩৫) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহের পিঠে ও পায়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ কারণে ওই যুবকের মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য।
রবিবার (৬ জুলাই) সকালে শহরের কেপি বসু সড়কের নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।সুদীপ জোয়ারদার ওই এলাকার সুনীলের জোয়ার্দ্দারের ছেলে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শৈশবেই সুদীপের মা মারা যান। পরে তার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সৎ মায়ের সঙ্গে বেড়ে উঠলেও পরিবারে রয়েছে তার পালিত ভাই শিলন জোয়ার্দ্দার।
তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে টানাপোড়েন চলছিল।
নিহত সুদীপের বন্ধু ফাহাদ মাহমুদ মারুত বলেন, ‘সুদীপ সবসময় হাসিখুশি থাকত। বাড়িতে সৎমায়ের সঙ্গে তার বিরোধ চলে আসছিল। সে অসুস্থ হলেও বাড়ি থেকে তার চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা করেনি।
ওকে দেখে কখনো মনে হয়নি ও আত্মহত্যা করতে পারে। মৃত্যুর পর তার প্যান্টের পকেটে দুটি মোবাইল পাওয়া যায়, যা আত্মহত্যার সময় থাকা সন্দেহজনক।’
সুদীপের মামা প্রশান্ত রায় বলেন, ‘সুদীপ আত্মহত্যা করেনি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তোয়ালে দিয়ে কেউ কখনো গলায় ফাঁস নিতে পারে না। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
আমি আমার ভাগনে হত্যার বিচার চাই।’ এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’
মন্তব্য করুন: