শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

এম এ আজিজ

পলিটিক্স এখন দুর্বৃত্তায়ন উৎপাদন করে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩ জুলাই ২০২৫, ১৩:৪১

সাংবাদিক এম এ আজিজ বলেছেন, ‘পলিটিক্স এখন দুর্বৃত্তায়ন উৎপাদন করে। উৎপাদনকেন্দ্র সব পলিটিক্সের শেল্টারে। তবে ৫ আগস্টের পরিবর্তনের পরে আমরা আশা করেছিলাম দেশে একটা পরিবর্তন আসবে। ছাত্ররা ভালো পড়াশোনা করলে বিসিএস দিয়ে বিসিএস অফিসার হবে।

কিন্তু এখন তারা সোজাসুজি মন্ত্রী হতে চাই।’

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সমালোচনা করে এম এ আজিজ বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন। তার কাছ থেকে একবারও শুনেছেন যে, ছাত্ররা তোমরা পড়াশোনাও করো, উদ্যোক্তাও হও। উনি উদ্যোক্তা কীভাবে বানাবেন বলেন? উনিই তো সব, বাংলাদেশের সব সেক্টরে উনার গ্রামীণ ব্যাংক আর গ্রামীণফোন।

উনি তো বাইরে কাউকে দেখেন না। সুতরাং উদ্যোক্তা যে হবে, উদ্যোক্তা হওয়ার জায়গাটাও উনি রাখছেন না।’
‘এখন প্রতিটি জিনিস তার জায়গা থেকে বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছে। সাংবাদিকরা সঠিক কথা লিখতে পারছেন না।

এখন যদি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দিতে চান তাহলে মালিকের স্বাধীনতা হবে, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা হবে না। অবজার্ভার তো স্বাধীনতার পক্ষে ছিল। বিকজ অব সাংবাদিক। এখন এই সাংবাদিকদের সমস্যাটা কোথায়? কারণ, সাংবাদিকরা পলিটিক্যাল লাইনে বিভক্ত হয়ে গেছে।’ ‘আর এই বিভক্তদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যারা গেছে তারা এক লাইনের লোকই গেছে।

তারা চামচামি করতে গেছে। অনেকগুলো সাংবাদিক এখন গ্রেপ্তার আছেন। তারা প্রায় অধিকাংশ খুনের আসামি। কিন্তু সাংবাদিকরা তো কেউ খুন করেনি। তারা দুর্নীতি ধরে টাকা খেয়েছে। ১০০০ কোটি ধরলে শত কোটি পাচ্ছে। এর কারণ, সাংবাদিকরা তাদের ন্যায্যটা পাচ্ছে না, তাই অন্যায্য পথে আগাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাকে সংস্কার কমিশনে রাখার জন্য বহুবার টেলিফোন করেছে। আমি যাইনি, কারণ আমি জানি এসব সংস্কার প্রস্তাব একটাও বাস্তবায়ন হবে না।’

তিনি বলেন, ‘যে দেশে যতটুকু গণতন্ত্র আছে, ততটুকু গণতন্ত্রের স্বাধীনতা আছে। সুতরাং, আমাদের দেশে যেহেতু ডেমোক্রেসি ফাংশন করছে না, গণমাধ্যম স্বাধীন হওয়ার সুযোগ নাই। রাজনৈতিক অঙ্গনে যতক্ষণ পর্যন্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততক্ষণ গণতন্ত্র হবে না।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর