শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

মাসুদ কামাল

জুলাই শহীদদের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২১ জুন ২০২৫, ১৪:৩৯

সম্প্রতি সাংবাদিক মাসুদ কামাল তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের তালিকা তৈরিতে চরম অনিয়ম ও জালিয়াতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

তিনি জানান, প্রকৃত শহীদ ও আহতদের বাইরে অনেকেই ভুয়া তথ্য দিয়ে নিজেদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং সরকারি আর্থিক সহায়তাও গ্রহণ করেছেন। অভিযোগ তোলা হয়েছে, কেউ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন, কেউ পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত হয়েছেন বা ছিনতাই করতে গিয়ে গণপিটুনিতে মারা গেছেন—তবুও তাদেরকে ‘জুলাই আন্দোলনের শহীদ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মাসুদ কামালের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব তথ্য একটি সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধান থেকে পাওয়া গেছে, যেখানে নির্দিষ্ট কিছু ভুয়া তালিকাভুক্ত ব্যক্তির ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।

তাঁর মতে, এই তালিকা তৈরির দায়িত্ব যাদের ওপর অর্পিত ছিল, তাঁদের মধ্যে অনেকে আন্দোলনের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত ছিলেন না। ফলে সঠিক যাচাই-বাছাই না করেই তালিকা প্রস্তুত হয়েছে। চিকিৎসা নথিপত্র জাল করে কিংবা অসত্য তথ্য দিয়ে কেউ কেউ সরকারি ভাতা, নগদ সহায়তা বা শহীদ পরিবারের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন।

এ ছাড়াও তিনি জানান, প্রশাসনের দুর্নীতি, রাজনৈতিক অদক্ষতা ও সরকারের আন্তরিকতার অভাবেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরির সময় যেমন অনেক জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছিল, তেমনি জুলাই আন্দোলনের ক্ষেত্রেও তা-ই দেখা যাচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অনেকেই আন্দোলনের ইতিহাস, অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি বা ঘটনার সঠিক তথ্য জানতেন না। এমনকি কেউ কেউ আন্দোলনের পরে হঠাৎ করে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পান, যাঁদের আন্দোলনের সঙ্গে পূর্বে কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না।’

সাংবাদিক মাসুদ কামালের মতে, এই ঘটনা শুধু দুর্নীতির পরিচয়ই দেয় না, বরং আন্দোলনের ইতিহাসকেও বিকৃত করে।

প্রকৃত শহীদ ও আহতদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে। সরকারের উচিত ছিল তালিকা তৈরির আগে যথাযথ যাচাই-বাছাই ও আন্তঃপ্রতিষ্ঠানিক ক্রসচেকিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা। তাঁর মতে, আন্তরিকতা ও স্বচ্ছতা না থাকলে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ কখনোই সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর