শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

২০২১ সালে আমি একজন গর্বিত ‌‘র’ এজেন্ট ছিলাম

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৫ মে ২০২৫, ১৬:৩৫

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয় ছিলেন। রাজপথে নেমে তিনি আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যবস্থার সমালোচনাও করেছেন। ফলে তাকে নিয়ে নানা ধরনের কটূক্তি ও গুজব রটানো হয়েছে।

শুরুতে ভারতের 'র' গোয়েন্দা সংস্থা, তারপর যুক্তরাষ্ট্রের 'সিআইএ' এবং এরপর ইসরায়েলি 'মোসাদ'—এই তিনটি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে তাকে অভিযুক্ত করা হয়। তবে বাঁধন নিজে কখনোই এসব অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেননি।

রোববার (২৫ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বাঁধন আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, 'কী মর্মান্তিকভাবে নষ্ট হলো এক ঐতিহাসিক সুযোগ! আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম একটি ভালো, ন্যায়ের ওপর গড়া দেশ, যেখানে থাকবে সততা, থাকবে আশার আলো। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন চূর্ণবিচূর্ণ।'

এরপর বাঁধন আরও লিখেছেন, '২০২১ সালে আমি একজন গর্বিত 'র' এজেন্ট ছিলাম। তখন প্রিয় অভিনেত্রী টাবুর সঙ্গে বিশাল ভরদ্বাজ পরিচালিত বলিউড সিনেমা 'খুফিয়া'য় অভিনয় করেছিলাম। কিন্তু পরে অবস্থা বদলে গেল। আমি ছবির প্রিমিয়ারে যোগ দিতে পারিনি। কেন? কারণ ভারতীয় হাইকমিশন আমার ভিসা প্রত্যাখ্যান করেছিল। একবার নয়, পাঁচবার।'

ভারতের ভিসা বাতিল হওয়ার কারণ হিসেবে বাঁধন উল্লেখ করেছেন, 'তাদের সঙ্গে আমার দুটি সাক্ষাৎকার হয়। সেসময় মনে হলো তারা আমার একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট নিয়ে খুব চিন্তিত। ইউএস অ্যাম্বেসির প্রোগ্রামে ভিপি নূরের সঙ্গে একটি ছবি!' তিনি আরও জানান, 'ভিসা পেতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে।

আমাকে অনেক কানেকশন ব্যবহার করতে হয়েছিল—নিজের দেশের প্রভাবশালী মানুষদের কাছাকাছি থাকার সুবিধার্থে, কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সঙ্গে হাস্যজ্জল ছবির কারণে অবশেষে আমি এক মাসের সিঙ্গেল-এন্ট্রি ভিসা পেলাম।'

বাঁধনের এই পোস্টে তার হতাশা ও সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। তিনি নিজের অবস্থানে অটল থেকে সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়ে সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতির বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছেন।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর