শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ওপর হামলাকারীর পরিচয় শনাক্ত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৫ মে ২০২৫, ১২:২৭

উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ওপর পানির বোতল নিক্ষেপের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। হামলার ভিডিও দেখে হামলাকারীকে শনাক্ত করেছেন নেটিজেনরা। তার নাম ইশতিয়াক হোসেন, তিনি অর্থনীতি বিভাগের ১৯তম ব্যাচের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

তবে এ ঘটনার দায় স্বীকার করতে নারাজ জবির আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। রাতভর কাকরাইল মসজিদের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। তিন দফা দাবিতে দিনভর আন্দোলনের পর রাত ৯টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় উপাচার্যসহ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন উপদেষ্টারা। বৈঠক শেষে উপদেষ্টা মাহফুজ আলম আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সামনে এসে কথা বলার সময় হামলার শিকার হন।

তাকে লক্ষ্য করে পানির বোতল ছুড়ে মারা হয়। এ ঘটনার পর তিনি কথা না বলে সেখান থেকে চলে যান। কিছুক্ষণ পর গণমাধ্যমের সামনে এসে মাহফুজ আলম বলেন, “একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চক্র আমাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।”

রাত ১২টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোনো সুস্পষ্ট ঘোষণা ছাড়া তারা রাজপথ ছাড়বেন না।

এদিকে, হামলার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, “সমালোচনা ও গণতান্ত্রিক অধিকার স্বাভাবিক, কিন্তু শারীরিক লাঞ্ছনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এর কোনো যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা হতে পারে না।”


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর