শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা

খালেদা জিয়ার আপিলের রায় ১৪ জানুয়ারি

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
৯ জানুয়ারী ২০২৫, ১৭:১৮

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় ১০ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। তবে আরেক আসামি আপিল না করায় রায়ের দিন পিছিয়েছে আদালত। আগামী মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) এই বিষয়ে আদেশ দেবে আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে তৃতীয় দিনের মতো আপিলের শুনানি হয়। শুনানি শেষে রায় ঘোষণার আগ মুহূর্তে অপর আসামি সালিমুল হকের কামালের আপিল না করার বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। এরপর রায়ের দিন পিছিয়ে দেন আদালত।

শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, খালেদা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের কোনো টাকা আত্মসাৎ করেনি। এমনকি তিনি ট্রাস্টের সদস্যও নন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে তাকে দণ্ডিত করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১১ নভেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। এরও আগে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে, এ মামলার অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এরপর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। পরে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর