শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

৯/১১ হামলা, যে শর্তে দোষ স্বীকারে রাজি অভিযুক্ত ৩ জন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১ আগষ্ট ২০২৪, ১৮:১৮

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকায় ভয়াবহ হামলা চালায় জঙ্গিগোষ্ঠী আল-কায়েদা। এই হামলায় অভিযুক্ত তিনজন তাদের দোষ স্বীকার করতে রাজি হয়েছে মৃত্যুদণ্ড না শর্তে। এ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে একটি চুক্তি পৌঁছেছে ওই তিন অভিযুক্ত। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, খালিদ শেখ মোহাম্মদ, ওয়ালিদ মুহাম্মদ সালিহ মুবারক বিন আত্তাশ এবং মুস্তাফা আহমেদ আদম আল-হাওসাভিকে কিউবার গুয়ান্তানামো কে মার্কিন নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে বছরের পর বছর ধরে বিচার ছাড়াই আটকে রাখা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম বলছে, এই অভিযুক্তরা মৃত্যুদণ্ড না দেওয়ার শর্তে দোষ স্বীকার করতে রাজি হয়েছেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপক্ষ থেকে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার দাবি করা হবে না, এমন শর্তে হামলা প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির সব দোষ স্বীকার করতে রাজি হয়েছেন এই তিন ব্যক্তি। এরই মধ্যে এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে পেন্টাগনের একটি চুক্তি হয়েছে।

তবে চুক্তির শর্তগুলো এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা করা হয়। এদিন হামলাকারীরা যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগনে হামলা চালায়। চতুর্থ বিমানটি পেনসিলভানিয়ার একটি মাঠে বিধ্বস্ত হয়।

এসব ঘটনায় নিউ ইয়র্ক, ভার্জিনিয়া ও পেনসিলভানিয়ায় প্রায় তিন হাজার মানুষ নিহত হয়। এই হামলার পরপরই বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে আমেরিকা। আফগানিস্তান ও ইরাকে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

১৯৪১ সালে হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের পার্ল হারবারে জাপানি হামলার পর ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনাই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।

অভিযুক্তদের মধ্যে খালিদ শেখ মোহাম্মদকে নাইন-ইলেভেন হামলার পরিকল্পনাকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের বরাতে বিবিসি লিখেছে, দুই যুগ আগের সেই হামলায় যারা প্রাণ হারিয়েছিল, তাদের স্বজনদের কাছে কৌঁসুলিরা চিঠি পাঠানোর পর প্রাক-বিচার চুক্তির বিষয়টি প্রকাশ পায়।

প্রধান কৌঁসুলি রিয়ার অ্যাডমিরাল অ্যারন রুঘের চিঠিতে বলা হয়, ‘মৃত্যুদণ্ডের সম্ভাব্য শাস্তি না দেওয়ার শর্তে অভিযোগপত্রে তালিকাভুক্ত ২,৯৭৬ জনকে হত্যাসহ সব অপরাধের দোষ স্বীকার করতে সম্মত হয়েছেন তিন অভিযুক্ত।’ টাইমস জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে আদালতে তাদের দায় স্বীকার করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর