শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

বিশ্বকাপে ৩ উইকেট পেলে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে যে কীর্তি গড়বেন সাকিব

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
১১ মে ২০২৪, ১১:৩২

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি কে? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়তো খুব বেশি ভাবার প্রয়োজন নেই। ৪৭ উইকেট নিয়ে সাকিব আল হাসানই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। শুধু বাংলাদেশরই নন, ৪৭ উইকেট নেওয়া সাকিব টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেরই সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।

সব ঠিক থাকলে এবার আরও একটি বিশ্বকাপ খেলবেন সাকিব। তাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম বোলার হিসেবে ৫০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়ার কথা সাকিবেরই। কারণ, শীর্ষ ৫ উইকেটশিকারির বাকি সবাই অবসর নিয়েছেন। বিশ্বকাপে খেলবেন, এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে সাকিবের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, তাঁর উইকেট ৩১টি।

চোট না থাকলে সাকিব যে এবারের বিশ্বকাপ খেলবেন, সেটা নিশ্চিত। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠেয় এবারের বিশ্বকাপে সাকিব খেললে নতুন আরেকটি কীর্তি গড়বেন তিনি। ২০০৭ থেকে ২০২৪—সব টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা দুই ক্রিকেটারের একজন হবেন সাকিব। তালিকার বাকি নামটি ভারতের রোহিত শর্মার।

রোহিতের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচও খেলেছেন সাকিব। সাকিবের ৩৬ ম্যাচের বিপরীতে রোহিত এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলেছেন ৩৯টি ম্যাচ। দুজনই সমানসংখ্যক বিশ্বকাপ খেললেও রোহিতের ম্যাচ খেলার পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি। রোহিতের ভারত ২০০৭ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ছাড়াও ফাইনাল খেলেছে ২০১৪ সালে। এবারের বিশ্বকাপে দেখা যাবে, এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে সাকিব, রোহিতের পর সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলেছেন ডেভিড ওয়ার্নার—৩৪টি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকার শীর্ষ ১০–এ আছেন সাকিব। অষ্টম স্থানে থাকা সাকিব ৩৬ ইনিংসে ২৩.৯৩ গড় আর ১২২ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন ৭৪২। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান এসেছে ভারতের বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে। ২৫ ইনিংসে তাঁর রান ১১৪১। গড় তো অবিশ্বাস্য—৮১.৫০, স্ট্রাইক রেট ১৩১.৩০। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা রোহিতের ব্যাট থেকে এসেছে ৯৬৩ রান।

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি খেলেছেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। ২০১২ সালে ৫৮ বলে ১২৩ রানের ইনিংসটি তিনি খেলেছিলেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপে দুটি সেঞ্চুরি ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইলের।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ছক্কাও এসেছে গেইলের ব্যাট থেকে। ৬৩টি ছক্কা মেরেছেন গেইল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছক্কা এসেছে রোহিতের ব্যাট থেকে, তিনি মেরেছেন ৩৫ ছক্কা। ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটলার মেরেছেন ৩৩টি ছক্কা। ভারতীয় অলরাউন্ডার যুবরাজ সিংও ৩৩টি ছক্কা মেরেছেন। ডেভিড ওয়ার্নার ও শেন ওয়াটসন ছক্কা মেরেছেন ৩১টি করে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর