শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

আদা ও হলুদের কি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
৬ মে ২০২৪, ১৮:০২

আদা ও হলুদের উপকারিতা অনেক। দুটিই দারুণ ভেষজ উপাদান। মসলা হিসেবে রোজকার রান্নায় পরিমাণমতো আদা ও হলুদ ব্যবহার ছাড়াও বিভিন্ন পানীয়ের উপকরণ হিসেবে খাই আমরা। এতে কোনো ক্ষতি নেই, বরং উপকারই পাবেন। তবে কোনো কিছুই অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করা ঠিক নয়। আদা ও হলুদের বেলায়ও এ কথা খাটে।

হলুদে বিদ্যমান কারকিউমিন প্রদাহ উপশমে সাহায্য করে। সাধারণ সর্দি-কাশির মতো সমস্যায় হলুদ খেলে উপকার পাবেন। কাশি-গলাব্যথায় আদা মেশানো পানীয়ও কাজে আসে। হলুদের আবার অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট গুণও অনেক। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, নারীদের মাসিকের সময়ের পেটব্যথা ও গর্ভাবস্থায় বমিভাব উপশমে আদা কার্যকর। তবে অতি উৎসাহী হয়ে বেশি বেশি উপকার পাওয়ার জন্য বেশি বেশি আদা কিংবা হলুদ খেতে যাবেন না!


আদা ও হলুদের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। যেমন বুক জ্বালাপোড়া, পেটে অস্বস্তি কিংবা পাতলা পায়খানা। কারও কারও আবার অ্যালার্জিও হতে পারে। তা ছাড়া কোনো কোনো ওষুধের সঙ্গে অতিরিক্ত আদা বা হলুদ খেলে ওষুধের কার্যকারিতার ওপরও প্রভাব পড়তে পারে। এ তথ্য দিলেন রাজধানীর আজিমপুরের গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শম্পা শারমিন খান।

তবে এর মানে কিন্তু এমনটাও নয় যে আপনি কোনো ওষুধ সেবন করলেই আপনাকে হলুদ ছাড়া খাবার খেতে হবে। যে কেউ খাবার রান্না করার সময় মসলা হিসেবে তো বটেই, পানীয় তৈরির সময়ও উপকরণ হিসেবে হলুদ বা আদা যোগ করতে পারেন অনায়াসে। দুধের সঙ্গে সামান্য হলুদ আর কালো গোলমরিচ মিশিয়ে খেতেও বাধা নেই। হলুদ দেওয়া সালাদ ড্রেসিংও আপনার জন্য নিষিদ্ধ নয়। আদা মেশানো স্যুপও খেতে পারেন। আদা বা হলুদ দিয়ে চা, এমনকি স্মুদি তৈরি করা চলে।


মোটকথা, স্বাভাবিকভাবে খাবার বা পানীয় প্রস্তুত করতে যে পরিমাণ হলুদ বা আদা প্রয়োজন হয়, তা গ্রহণের বিষয়ে কারও জন্যই কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে যদি কারও এসবের কোনোটিতে অ্যালার্জি থেকে থাকে, তাহলে ভিন্ন কথা।

আর সাপলিমেন্ট বা কোনো ওষুধ হিসেবে প্রস্তুত করা বিশেষ কিছু যদি আপনি গ্রহণ করতে চান, যাতে আদা কিংবা হলুদ আছে, তাহলে আপনাকে এসব উপাদানের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। এসবে কিন্তু স্বাভাবিক রান্না বা পানীয়ের চেয়ে আদা বা হলুদের পরিমাণ অনেকটাই বেশি থাকতে পারে। তাই এসব সেবনে সতর্ক থাকুন। আদা বা হলুদের উপকারিতা পাওয়ার জন্য বাড়িতে তৈরি খাবার ও পানীয় গ্রহণই নিরাপদ।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর