শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

বুকে ‘চিপট্যাগ’ নিয়ে সমুদ্রে নেমে গেল দুই কাছিম

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
১৯ মার্চ ২০২৪, ১৩:১২

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের উখিয়ার ছেপটখালী সৈকত থেকে বুকে ‘চিপট্যাগ’ (শনাক্তকরণ যন্ত্র) নিয়ে সাগরে নেমে গেল অলিভ রিডলে প্রজাতির দুটি মা কাছিম। চিপট্যাগ লাগানোর উদ্দেশ্য, আগামী বছর প্রজনন মৌসুমে এই কাছিম দুটি একই সৈকতে ডিম পাড়তে আসে কি না এবং প্রতিবছর কী পরিমাণ কাছিম সৈকতে ডিম পাড়তে আসে তার তথ্য সংগ্রহ করা।

১৮ মার্চ সোমবার বিকেলে কাছিম দুটির বুকে ‘চিপট্যাগ’ স্থাপন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নেচার অ্যান্ড লাইফ প্রকল্প (কোডেক)। প্রতিষ্ঠানটির প্রকল্প পরিচালক শীতল কুমার নাথ বলেন, অলিভ রিডলে প্রজাতির এই কাছিম দুটি উখিয়ার ছেপটখালী সৈকতে ডিম পাড়তে এসেছিল গত শনিবার। বালুচরে ডিম পেড়ে সমুদ্রে ফিরে যাওয়ার সময় স্বেচ্ছাসেবীরা কাছিম দুটি ধরে বুকে ‘চিপট্যাগ’ লাগিয়ে সাগরে ছেড়ে দেন। ‘চিপট্যাগ’ লাগানোর মাধ্যমে তাদের জীবনাচার বিষয়ে জানার চেষ্টা করা হবে।


কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের মনখালী বিট কর্মকর্তা শিমিল কান্তি নাথ বলেন, প্রতিবছর শীত মৌসুমে সৈকতে ডিম পাড়তে আসে মা কাছিম। বালুচর থেকে ডিম সংগ্রহ করে হ্যাচারিতে সংরক্ষণ করা হয়। ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর পর তাদের আবার সমুদ্রে অবমুক্ত করা হয়। চলতি মৌসুমে (ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি) কোডেক স্বেচ্ছাসেবীরা সৈকত থেকে ১২০টি মা কাছিমের পাড়া ১৩ হাজার ৪৩৪ ডিম সংগ্রহ করে পাঁচটি হ্যাচারিতে সংরক্ষণ করেন। এর মধ্যে একটি হ্যাচারিতে ফোটা ৩৪টি বাচ্চা গতকাল সোমবার বিকেলে সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে।

 

এর আগের তিন বছরে কোডেক স্বেচ্ছাসেবীরা ১২৬টি মা কাছিমের পাড়া ১৩ হাজার ৫৩০টি ডিম সংরক্ষণ করেন। তা থেকে বাচ্চা ফোটানো হয় ৮ হাজার ৬৭৮টি, যা পরে সাগরে অবমুক্ত করা হয়।


২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিন দফায় তিনটি মা কাছিমের পিঠে স্যাটেলাইট যন্ত্র বসিয়ে সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছিল। কাছিমগুলোর নাম রাখা হয়েছিল ঊর্মি, বাসন্তী ও সাগরকন্যা। যন্ত্র নিয়ে দীর্ঘ সময় গভীর সমুদ্রে ঘুরে বেড়িয়েছিল কাছিম তিনটি। সামুদ্রিক কাছিমের গতিবিধি, বৈচিত্র্যময় জীবনযাপন এবং সমুদ্রের অজানা তথ্য অনুসন্ধানের জন্য বেসরকারি গবেষণা সংস্থা মেরিন লাইফ অ্যালায়েন্স আধুনিক প্রযুক্তির স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং শুরু করেছিল। পরবর্তী সময়ে ঘূর্ণিঝড়সহ নানা কারণে কাছিম তিনটি নাই হয়ে যায়।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর