শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

যে কারণে ভিসা নিয়ে বিপত্তিতে পড়েছিলেন ফারিণ

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭:৪৩

চরকির ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’ সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাসনিয়া ফারিণ ও প্রীতম হাসান।


রাজশাহীর পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ায়ও সিনেমার দৃশ্যধারণ করা হয়েছে। নির্মাতা, অভিনেতাসহ কলাকুশলীরা ঠিকমতো অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার ভিসা পেলেও বিপত্তিতে পড়েছিলেন ফারিণ। ফলে বাধ্য হয়ে শুটিংও পেছাতে হয়েছিল পরিচালক শিহাব শাহীনকে।


পরিচালক বলেন, ‘আমরা সবাই ঝামেলা ছাড়াই ভিসা পেলাম। কিন্তু ফারিণের জন্য আমাদের দৃশ্যধারণ পেছাতে হলো। কারণ, ফারিণের ফেসবুকে নাম ছিল তাসনিয়া ফারিণ; পাসপোর্টে ভিন্ন নাম ছিল। সে জন্য প্রথমে রিজেক্ট হয়েছিল তাঁর ভিসা।’
শেষ পর্যন্ত ভিসা পেয়েছিলেন ফারিণ; অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে সিনেমার দৃশ্যধারণও করেছেন তিনি। ২২ ফেব্রুয়ারি চরকিতে মুক্তি পাচ্ছে চরকি অরিজিনাল সিনেমাটি।

 

গল্পে গল্পে ফারিণ-প্রীতম বলছিলেন, তাঁরা নাকি পরিচালককে ‘শিহাব-আব্বা’ বলে ডাকতেন। কারণ, পুরা শুটিংয়ে পরিচালক শিহাব শাহীন নাকি বাবাদের মতো আচরণ করেছে, মানে বাবাদের মতো শাসন করেছেন। অস্ট্রেলিয়াতে শুট শেষ করে যখন সবাই কোথাও না কোথাও ঘুরতে যেত, পরিচালক সাহেব তখন বসে থাকতেন ঘরে। আর সবাইকে ফোন দিয়ে ‘কখন ফিরবা?’ , ‘বাইরে কিছু খেয়ো না’, ‘তাড়াতাড়ি বাসায় আসো’—এ রকম নানা কথা বলতে থাকতেন।


অট্রেলিয়াতে শুট শেষ করে প্রীতম একদিন একা একা স্কুটি নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিলেন। স্কুটিতে নিয়ে যেতে যেতে তিনি এম-টু হাইওয়ে নামে একটা এক্সপ্রেস ওয়েতে উঠে গেছিলেন। প্রীতম বলেন, ‘আমি যখন ওই রাস্তায় উঠছি, তখন বুঝিনি যে এটা এত বড় হাইওয়ে রাস্তা। সেখানে সর্বনিম্ন গাড়ি চালানোর স্পিড ছিল ১০০ কিমি। আর আমি স্কুটি চালাচ্ছিলাম ৬০-৮০ স্পিডের মধ্যে। আমার পাশ দিয়ে সব সাই সাই করে সব গাড়ি চলে। আমি সে দিন কী যে ভয় পাইছিলাম, বলে বোঝানোর মতো না।’


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর