শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

কবিতা

বাবাকে নিবেদিত চারটি কবিতা

মাঈন উদ্দিন আহমেদ , কবি ও কথাশিল্পী

প্রকাশিত:
২০ জুন ২০২৩, ১২:৪৯



আব্বার পিঠ

বিছানা করে মশারি টানিয়ে রেখেছেন মা।
আমি এখন যেখানটায় শুয়ে আছি,
সেখানে এককালে আব্বা শুতেন।
তাঁর ডানদিকে আমি শুতাম।
বিদ্যুৎ না থাকলে সুপারির খোলে বাতাস করতেন,
মাথায় হাত বোলাতেন, পিঠ চুলকে দিতেন।
আমিও তো আব্বার পিঠ চুলকেছি কত!

এখন শতবার এপাশ-ওপাশ হলেও—
আবাদি জমির মতন আব্বার পিঠ আর খুঁজে পাই না!

****

তবুও আব্বা আছেন


আব্বা একসময় থাকবেন না—
যেমন থাকে না কেউই!
এটা ভেবে খুব ভয় পেতাম।
শীতের রাতের মতো অবশ হয়ে যেত দেহ।

আব্বা এখন আর নেই!
নাম ধরে ডাকেন না আর—
বছর দেখি পেরিয়ে গেল!

মায়ের চোখের দিকে তাকালেই আব্বার ছবি ভেসে ওঠে,
মায়ের মুখের কথায় আব্বার ঝকমকে স্মৃতি বেজে ওঠে।

আব্বা আমার না থেকেও—থাকার চেয়ে বেশি আছেন।

****

আব্বাকে আমি ও অন্যরা

আব্বাকে আমি বাদে সবাই খুব ভয় পেত।
গ্রামের উত্তর মাথার খেজুর গাছ থেকে—
দক্ষিণ মাথার আকাশ ছুঁই ছুঁই তালগাছও।
তাঁর মুখ গম্ভীর হলে, কেঁপে উঠতো বন—
সুপারির থোকা আর প্যাঁচাদের চোখ।


আব্বাকে আমিসহ সবাই খুব ভরসা করত।
গ্রামের উত্তর মাথার ঘাটে বাঁধা নৌকা থেকে—
দক্ষিণ মাথার পুকুরে অপেক্ষারত মাছরাঙাও।
তাঁর কাছে ছুটে আসতো সবাই—বাবাহারা শিশু,
নিরূপায় কৃষক আর রোগে ভোগা কাশেমের মা।

আব্বাকে আমিসহ সবাই খুব মান্য করত।
গ্রামের উত্তর মাথার মসজিদের দুয়ার থেকে—
দক্ষিণ মাথার বড় দোকানের এক কাপ চা।
তাঁর সামনে এসে সব নিশ্চুপ, সন্ধ্যার কাক—
মাদ্রাসার ছাত্র আর জমি নিয়ে ঝগড়া করা ভাই।

****

 


আব্বার বয়স

পিতা-পুত্রের বয়সের অঙ্ক মেলানোর আগেই—
আব্বা আমার মারা গেলেন!


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর