শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

পুড়ে যাওয়া গ্র্যান্ড সাইদ সেন্টার দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
১১ অক্টোবর ২০২৩, ১২:৫৮

রাতে আগুনে পুড়ে যাওয়া রাজধানীর উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের গ্র্যান্ড সাইদ সেন্টার দেখতে সকাল থেকেই ভিড় করছেন উৎসুক জনগণ।

বুধবার (১১ অক্টোবর) সকালে সরেজমিনে গ্র্যান্ড সাইদ সেন্টারে গিয়ে দেখা যায় সাত থেকে ১১ তলা পর্যন্ত সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

এছাড়া ভবনটির বাকি অংশ ঠিক আছে। ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর পর সকাল থেকে ভবনে যে সকল অফিস এবং দোকান ছিল তাদের প্রতিনিধিরা ভবনের সামনে এসে ভিড় জমান। এ সময় তারা ভেতরে ঢুকে অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা করেন।
দেখা যায়, রাস্তায় ভিড় করে অনেকেই আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবনটি দেখছেন। কেউ কেউ আবার মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন।

এদিকে কোনো উৎসুক জনতা যেন ভেতর ঢুকতে না পারেন সেজন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই ভবনটিতে শপিং মল, রেস্টুরেন্টে থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অফিস ছিল। এর মধ্যে কয়েকটি কেমিক্যাল এবং পেইন্টের গোডাউন ছিল। আগুনে বিল্ডিংটি যে অংশ পুড়েছে সেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিসের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তবে রাতে আগুন লাগায় কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এই ভবনের ৮ তলায় একটি প্রতিষ্ঠান এলিট পেইন্ট অ্যান্ড কেমিক্যাল লিমিটেডের কর্মকর্তা রাহাত বলেন, ভবনের ভেতরে ৭ তলা থেকে শুরু করে ১১ তলা পর্যন্ত পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। উদ্ধার করার মতো কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। আমাদের অফিসের কোনো কিছুর চিহ্নই পাইনি। ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর পর সকাল ৯ টায় ভবনের ভেতর আমরা প্রবেশ করতে পারি। তবে আগুন যখন লেগেছে তারপর রাত দুইটা থেকে আমাদের প্রতিনিধিরা ভবনের সামনে অবস্থান নেন।

ভবনের সিকিউরিটির দায়িত্বে রানা জানান, ভবনে কোনো মানুষ ছিল না। আগুন লাগার সময় ভবনটি বন্ধ ছিল। যে কারণে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে আগুন লাগার কারণে বর্তমানে ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন আছে।

মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) দিনগত রাত ১টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে রাত ১টা ১৮ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিস। একে একে ২৪টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে যোগ দেয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর